X

Fact Check: মমতা ব্যানার্জীর ভিডিও বিধানসভা ভোটের মনোনয়নের আগে বিভ্রান্তিমূলক দাবি নিয়ে ভাইরাল হয়েছে

  • By Vishvas News
  • Updated: March 30, 2021

(বিশ্বাস নিউজ)। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে, যেখানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাথায় গোলাপী স্কার্ফে  হাত জোড় করে প্রার্থনা করতে দেখা যেতে পারে। একই সাথে, তার চারপাশেও মানুষের ভিড় দেখা যায়। এখন এই ভিডিওটি এই বলে ভাইরাল করা হচ্ছে যে রাতের অন্ধকারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুসলমানদের সাথে দেখা করার জন্য কাজ করছেন এবং হিডেন ক্যামেরাতে সেগুলো রেকর্ড করা হচ্ছে।

বিশ্বাস নিউজের তদন্তে পাওয়া গেছে যে ভিডিওটি মমতা ব্যানার্জী মনোনয়ন দাখিল করার আগে যখন মাজারে গিয়েছিলেন তখনকার এবং বিষয়টি ন্যাশানাল নিউজ চ্যালেনেও কভার করা হয়েছিল। এছাড়াও এটি কোনও মধ্যরাতের নয়, সন্ধ্যার পরের ঘটনা।মাজারে যাওয়ার আগে উনি কোন মন্দিরেও গিয়েছিলেন। তবে, এখন এই ভিডিওটি অর্ধ সত্যের সাথে ভ্রান্ত দাবী হিসাবে শেয়ার করা হচ্ছে।

ভাইরাল পোস্টে কি আছে?

ভাইরাল ভিডিটি শেয়ার করে ফেসবুক ইউজার বিবেক শর্মা লিখেছেন যে,#রাতের অন্ধকারে দিদি মুসমমানদের সাথে দেখা করছেন যা প্রথমে দিনের আলোতে করতেন, এরকম কেন, এখন দিনের আলোতে হিন্দুদের বোকা বানাচ্ছেন যেটার সব সত্য হিডেন ক্যামেরাতে রেকর্ড করা হয়েছে!!#এই ভয় খুব ভালো”।

পোস্টের আর্কাইভ ভার্সান এখানে দেখুন।

তদন্ত

আমাদের তদন্ত শুরু করে, আমরা প্রথমে কীওয়ার্ড যুক্ত করে ইউটিউবে ভিডিওগুলি অনুসন্ধান করা শুরু করি। অনুসন্ধানে আমরা 2021 সালের 9ই মার্চ টাইমস নাউয়ের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা একটি ভিডিও পাই। এতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একই গোলাপী স্কার্ফে দেখা গিয়েছিল যেটা ভাইরাল হওয়া ভিডিওতেও দেখা যায়। আপলোড করা ভিডিওতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাজারে চাদরটি রাখতে দেখ গিয়েছিল। একই সঙ্গে বাইরে জনগণের ভিড়ও দেখা যায়। ভিডিটিতে বলা হয়েছে , ‘মমতা ব্যানার্জী সমসাবাদ মজারে গিয়ে চাদর রেখেছেন এবং নন্দীগ্রামে গত এক ঘন্টায় মমতা ব্যানার্জী প্রতিটি মন্দিরে এবং ধার্মিক স্থানে থেমে প্রণাম করছেন।  

9  ই মার্চ, সন্ধ্যা সাড়ে 6 টায় এএনআইয়ের টুইটটিতে জানানো হয়েছে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামের সামসাবাদ মাজারে গিয়ে চাদর দিয়েছিলেন। টুইটে দেওয়া  চারটি ছবির মধ্যে চতুর্থ ছবিটিতে আমাদের ভাইরাল ভিডিওটির দ্বিতীয় অ্যাঙ্গলের ছবি বলে মনে হয়েছে, যেখানে তাকে জোড় হাতে প্রার্থনা করতে দেখা যেতে পারে। 

এবিপি লাইভে ৯ ই মার্চ আপলোড করা খবর অনুযায়ী,”নন্দীগ্রামে জনসভায় ভাষণ দেওয়ার পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হরি মন্দিরে পূজা করেছিলেন। এর পরে মমতা দুর্গা মন্দিরে যান এবং এর পরে দরগায় যান। এখানে উনি ফুল দিয়েছিলেন।”

11ই মার্চ দ্য প্রিন্টে পাবলিশ হওয়া সংবাদ অনুসারে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার মনোনয়নের আগে 19 টি মন্দির এবং একটি মাজার পরিদর্শন করেছিলেন। এখানে সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ুন

ভিডিও এর সাথে যুক্ত নিউজটি নিশ্চিত করতে বিশ্বাস নিউজ কলকাতায় দৈনিক জাগরণের সাথে যোগাযোগ করেছিল। জাগরনের ব্যুরো চিফ জে কে বাজপেয়ী জানিয়েছেন যে ভিডিওটি সেই সেই সময়কার যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাজার গিয়েছিলেন এবং তিনি একই দিন মন্দিরে গিয়েছিলেন। এখন এই ভিডিওটি শেয়ার করে বলা হচ্ছে যে, তিনি রাতের অন্ধকারে গিয়েছিল এবং ঘরে হিডেন ক্যামেরায় সব রেকর্ড করা আছে, এগুলো সব ভুল।

ফেসবুক ইউজার বিবেক শর্মা যিনি পোস্টটি শেয়ার করেছেন তার স্যোশাল স্ক্যানিং-এ আমরা দেখতে পেয়েছি কোনও নির্দিষ্ট মতাদর্শের সাথে সম্পর্কিত পোস্টগুলি এই প্রোফাইলটি থেকে শেয়ার করা হয়েছে। একই সাথে, ইউজার ইন্ট্রোতে নিজের সম্পর্কিত কোনও তথ্য পাবলিক করেনি।

निष्कर्ष: উপসংহারঃ বিশ্বাস নিউজের তদন্তে পাওয়া গেছে যে ভিডিওটি মমতা ব্যানার্জী মনোনয়ন দাখিল করার আগে যখন মাজারে গিয়েছিলেন তখনকার এবং বিষয়টি ন্যাশানাল নিউজ চ্যালেনেও কভার করা হয়েছিল। এছাড়াও এটা মধ্যরাতের ঘটনা নয়, সন্ধ্যাবেলার ঘটনা। তবে মাজার পরিদর্শন করার আগে তিনি বেশ কয়েকটি মন্দিরেও গিয়েছিলেন।

  • Claim Review : अंधेरे में दीदी मुस्लिमों से मिलने काम कर रही हैं जो पहले दिन के उजाले में किया करतीं थीं ऐसा क्यूं , अब दिन के उजाले में हिन्दूओं को वेवकुफ बनाया जा रहा है वो तो हिंडन कैमरे ने सारी हरकतें रिकॉर्ड कर ली गई !!
  • Claimed By : Vivek Sharma
  • Fact Check : Misleading
Misleading
    Symbols that define nature of fake news
  • True
  • Misleading
  • False

Know the truth! If you have any doubts about any information or a rumor, do let us know!

Knowing the truth is your right. If you feel any information is doubtful and it can impact the society or nation, send it to us by any of the sources mentioned below.

ট্যাগ

সম্পর্কিত আর্টিকেলস

Post saved! You can read it later