X

Fact Check : হজ করতে যাওয়া শিহাবের ভিডিওকে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা যুবকদের বলে ভাইরাল করা হচ্ছে

ভীম আর্মির প্রধান চন্দ্রশেখর এবং জালোরে মৃত্যু হওয়া ছাত্রের সমর্থনের নামে যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তা বিশ্বাস নিউজের তদন্তে মিথ্যে বলে প্রমাণিত হয়েছে। ভিডিওটির সঙ্গে আসলে তাঁদের কোনও সম্পর্কই নেই। এই ভিডিওটি কেরল থেকে মক্কার উদ্দেশে রওনা হওয়া শিহাব চিতুরের যাত্রার ছবি।

  • By Vishvas News
  • Updated: August 29, 2022

নতুন দিল্লী (বিশ্বাস নিউজ)। রাজস্থানের জালোর জেলার সুরানা গ্রামে 9 বছর বয়েসি একজন দলিত ছাত্র ইন্দ্র মেঘওয়ালের মৃত্যুর পর থেকে নানা ধরনের মিথ্যা কথা সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হচ্ছে। এবার মানুষের ভিড়ের একটি ভিডিওকে ভাইরাল করে দাবি করা হচ্ছে যে ছাত্র ইন্দ্র মেঘওয়ালের ন্যায় এবং চন্দ্রশেখর আজাদের মুক্তির দাবিতে তরুণরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছে। বিশ্বাস নিউজ এই ভাইরাল পোস্ট তদন্ত করেছে। সেই দাবি মিথ্যে বলে প্রমাণিত হয়েছে। ভাইরাল ভিডিওটি আসলে হজযাত্রার জন্য পায়ে হেঁটে রওনা হওয়া শিহাব চিত্তুরের। এই ভিডিওর সঙ্গে ইন্দ্র মেঘওয়ালের কোনও সম্পর্ক নেই।

কী ভাইরাল হচ্ছে

ফেসবুক ইউজার মনীষ যাদব 18 অগস্ট একটি ভিডিও আপলোড করে এই দাবি করেছেন: “ভীম আর্মি চিফ চন্দ্রশেখর আজাদের মুক্তি ও ভাই ইন্দ্র মেঘওয়ালের ন্যায়ের দাবিতে সরব হওয়ার জন্য রাস্তায় আন্দোলন করতে নেমেছেন বহুজন যুবকদল তাঁদের ধন্যবাদ! জোরদার ভাবে এই সরকারদের জাগানোর প্রয়াস পাওয়া হবে জয় ভীম জয় মণ্ডল জয় জোহার।”

ফ্যাক্ট চেক করার উদ্দেশ্যে পোস্টের কন্টেন্ট এখানে হুবহু লেখা হয়েছে। এটিকে অন্যান্য ইউজারও এখনকার মনে করে ভাইরাল করে যাচ্ছেন। এই পোস্টের আর্কাইভ ভার্সন এখানে দেখা যেতে পারে।

তদন্ত

যে-পোস্টটি ভাইরাল হচ্ছে তার সত্যতা জানার জন্য বিশ্বাস নিউজ সবার প্রথমে ভিডিওটি মন দিয়ে দেখেছে। সেখানে আমরা লক্ষ করেছি যে কোনও এক বিশেষ ধর্মের মানুষ টুপি পরে আছেন। এ ছাড়া এই ভিডিওতে একজন ব্যক্তির চারদিকে গোলাপি টি-শার্ট পরা যুবকদের দেখা গিয়েছে। তাঁরা ওই ব্যক্তিকে ঘিরে ধরে হাঁটতে-হাঁটতে এগিয়ে চলেছেন।

এই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা ভিডিওটির বেশ কয়েকটি কি-ফ্রেম বের করেছিলাম। তার সেগুলিকে গুগল রিভার্স ইমেজ ও ইয়ান্ডেক্স সার্চ টুলের সাহায্যে সার্চ করেছি। ভাইরাল ভিডিওটি আমরা একটি ফেসবুক পেজে পেয়েছিলাম। সেটিকে 18 অগস্ট তারিখে আপলোড করে বলা হয়েছে যে কেরল থেকে মক্কা যাওয়া শিহাবের এই ভিডিও রাজস্থানের পরবরতসরের। এই ভিডিওটিকে 17 অগস্ট তারিখে নাগৌরের পরবতসরে তোলা হয়েছিল। পুরো ভিডিও এখানে দেখুন।

সার্চ করার সময় এই ভিডিওটি পাবলিকভাইব নামক একটি ওয়েবসাইটেও পাওয়া গিয়েছিল। সেখানে ওই ভিডিওটির লোকগুলোকে স্পষ্ট দেখা যেতে পারে, যেটি ভাইরাল হচ্ছে। তাঁদের সবার পরনে একই পোশাক। ভিডিওতে বলা হয়েছে যে কেরল থেকে হেঁটে হজযাত্রা করতে যাওয়া শিহাব চতুর পরবতসরে পৌঁছলেন। পুরো ভিডিও এখানে দেখুন।

বিশ্বাস নিউজ এই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নাগৌরের সিনিয়র জার্নালিস্ট অবরার আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তাঁকে আমরা ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি পাঠিয়েছিলাম। তিনি জানিয়েছেন যে এই ভিডিওটি মেগা হাইওয়ের। এর সঙ্গে ভীম আর্মির কোনও সম্পর্ক নেই। এই ভিডিওটি শিহাব চিতুরের যিনি কেরল থেকে পায়ে হেঁটে হজযাত্রা করেছিলেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভীম আর্মির জাতীয় সভাপতি চন্দ্রশেখর আজাদকে পুলিস জোধপুর এয়ারপোর্টে আটকে সড়কপথেই ফেরত পাঠিয়েছিল।

তদন্তের শেষ পর্বে সেই ইউজারকে অনুসন্ধান করে দেখা হয়েছে যিনি ভুয়ো পোস্টটি করেছেন। ফেসবুক ইউজার মনীষ যাদব মধ্যপ্রদেশের গুনার বাসিন্দা। তিনি ভীম আর্মি আজাদ সমাজ পার্টির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর অ্যাকাউন্টকে 3.6 হাজার লোক ফলো করেন।

निष्कर्ष: ভীম আর্মির প্রধান চন্দ্রশেখর এবং জালোরে মৃত্যু হওয়া ছাত্রের সমর্থনের নামে যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তা বিশ্বাস নিউজের তদন্তে মিথ্যে বলে প্রমাণিত হয়েছে। ভিডিওটির সঙ্গে আসলে তাঁদের কোনও সম্পর্কই নেই। এই ভিডিওটি কেরল থেকে মক্কার উদ্দেশে রওনা হওয়া শিহাব চিতুরের যাত্রার ছবি।

  • Claim Review : ভীম আর্মি চিফ চন্দ্রশেখর আজাদের মুক্তি এবং ভাই ইন্দ্র মেঘওয়ালের ন্যায়ের সপক্ষে সরব হতে রাস্তায় আন্দোলন করতে নেমেছেন বহুজন তরুণরা।
  • Claimed By : ফেসবুক ইউজার মনীষ যাদব
  • Fact Check : False
False
Symbols that define nature of fake news
  • True
  • Misleading
  • False

Know the truth! If you have any doubts about any information or a rumor, do let us know!

Knowing the truth is your right. If you feel any information is doubtful and it can impact the society or nation, send it to us by any of the sources mentioned below.

ট্যাগ

Post your suggestion

No more pages to load

সম্পর্কিত আর্টিকেলস

Next pageNext pageNext page

Post saved! You can read it later